অন্যরকম মাইলফলকের অপেক্ষায় মুশফিক

অ্যান্টিগা টেস্টে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে ভাগ বসিয়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুলের বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলার রেকর্ডে। জ্যামাইকা টেস্টে এবার এক সময়কার জাতীয় দলের সতীর্থকে ছাপিয়ে রেকর্ড বইয়ে এককভাবে নিজের নাম লেখানোর অপেক্ষায় মুশফিকুর রহিম।উইন্ডিজ সফরের আগে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে দেশকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করার অর্জনটি ছিল মোহাম্মদ আশরাফুলের দখলে। ২০০১ সাল থেকে শুরু করে ২০১৩ সাল পর্যন্ত মোট ৬১টি টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামেন আশরাফুল।উইন্ডিজ সফরের প্রথম ম্যাচে আশরাফুলের সমান ৬১ টেস্ট ম্যাচ খেলার পর এবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তাকে ছাপিয়ে বহুল পুরনো মাইলফলকে নতুন করে নিজের নাম লেখানোর অপেক্ষায় মুশফিক। ২০০৫ সালে টেস্ট অভিষেকের পর ২০০৭ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত মাত্র একটি টেস্ট ম্যাচে খেলতে না পারা মুশফিক টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩৪.৩৭ গড়ে ৫ শতক ও ১৯ অর্ধশতকে রান করেছেন মোট ৩৬৪৪। যা বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক রান।

মুশফিকের তিন বছর পর টেস্ট অভিষেক হওয়া তামিম ইকবাল দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যাচে খেলার দিক দিয়ে রয়েছেন তিন নম্বর অবস্থানে। এখনো অবধি ৫৫টি টেস্ট ম্যাচে খেলার সৌভাগ্য হয়েছে উক্ত ফরম্যাটে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রাহকের। সাদা পোশাকের ক্যারিয়ারে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে চার হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়ে বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানের সংগ্রহ এখন ৪,০০২ রান।

তামিমের চেয়ে তিন ম্যাচ কম খেলে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা ও আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

বাঁহাতি এ অলরাউন্ডারের পরেই অবস্থান দেশের হয়ে সবধরণের ক্রিকেটকে বিদায় জানানো হাবিবুল বাশার। ২০০০ সালে অভিষেকের পর ২০০৮ পর্যন্ত মোট আট বছর সাদা পোশাকে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা এ ব্যাটসম্যান তার ক্যারিয়ারে খেলেছেন সর্বমোট ৫০টি টেস্ট ম্যাচ।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশকে বেশি সংখ্যক ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করা শীর্ষ পাঁচ ক্রিকেটার-

ম্যাচ নাম ব্যাপ্তিকাল
৬১* মুশফিকুর রহিম ২০০৫- চলমান
৬১ মোহাম্মদ আশরাফুল ২০০১-২০১৩
৫৫* তামিম ইকবাল ২০০৮-চলমান
৫২* সাকিব আল হাসান ২০০৭-২০১৮
৫০ হাবিবুল বাশার ২০০০-২০০৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *