জন্মদিনে গাড়ী উপহার পেলেন রাসেল

বরাবরেই টি-২০তে দুর্দান্ত উইন্ডিজ তারকা আন্দ্রে রাসেন। বল হাতে দম ছুটিয়ে দিতে পারেন প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড়দের। সেই রাসেলেই আজ পদার্পন করলেন ৩০ বছরের। আর প্রিয়জনের কাছ থেকে রাসেল উপহারো পেলেন একটি গাড়ী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে গাড়ির ছবি আপলোড করে রাসেল লিখেন, ‘সময় মতোই পেয়ে গেলাম জন্মদিনের উপহার।’ তবে কে বা কারা তাকে এই সুদৃশ্য গাড়িটি উপহার দিয়েছেন সেই ব্যাপারে কিছু খোলাসা করেননি কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলা এই ক্রিকেটার।

চলতি মৌসুমে এখনো পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে ২০২ স্ট্রাইকরেটে ২০৭ রান করেছেন রাসেল। এছাড়াও বল হাতে ১৯ ওভার হাত ঘুরিয়েই ৫ টি উইকেট শিকার করেছেন তিনি।

নাফিসার আশা পূরন হতে দেয়নি রংপুর

বিপিএল শুরুর আগ থেকেই দল গোছানো শুরু করে দিয়েছে মাশরাফির দল রংপুর। আগের পুরানো বিদেশী খেলোয়াড় রটেইন করার পাশাপাশি দলটি রেটেইন করছে নতুন বিদেশী খেলোয়াড়ও।

আসন্ন বিপিএলের জন্য মাশরাফি-গেইলকে রেখে দিয়েছে দলটি। এক সূত্র থেকে জানা যায়, আসন্ন আসরে মাশরাফি-গেইল ছাড়াও ব্রেন্ডন ম্যাককালামকেও ধরে রেখেছে দলটি। তাদেরকে ছাড়াও এরই মধ্যে আরো পাঁচজন বিদেশীদের সঙ্গে রংপুর চুক্তি সেরে ফেলেছে বলেও জানা যায়।

রংপুরের নিয়মিত সদস্য লঙ্কান অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরাকেও আসন্ন আসরের জন্য দলে ভেড়াচ্ছে রংপুর। অন্যদিকে গেল আসরে কুমিল্লার হয়ে খেলা নিউজিল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান কলিন মুনরো এবং পাকিস্তানি পেসার হাসান আলীকেও দেলে ভেড়াচ্ছে রংপুর। তবে মালিঙ্গাকে হারাচ্ছে রংপুর ।

এছাড়াও পাকিস্তানি তারকা শাদাব খান ও নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লুক রঞ্চিও আসন্ন আসরে রংপুরের জার্সিতে বিপিএল মাতাবেন বলে জানা গেছে। যদিও এ ব্যাপারে এখনো রংপুর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে বিশ্বস্ত এক সূত্র থেকে এ ব্যাপারে জানা গেছে।

অন্য দিকে গত বিএপিএলে রংপুর জয়লাভের পর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মালিক নাফিসা কামাল একটি স্ট্যাটাসে বলেন, গেইল মানুষ, নাকি গেইল!

এরপর আরো দুটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। একটিতে রংপুরকে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়ে নাফিসা কামাল লিখেন, এরপর পরেই আরো একটি স্ট্যাটাস দেন নাফিসা। সেই স্ট্যাটাসে নাফিসা লিখেন , সাম্নরে আসরে গেইল কুমিল্লাতেই খেলবেন। কিন্তু তার সেই আশা আর হলো না পূরন।

সাকিবদের ছাপিয়ে আবারো শীর্ষে চেন্নাই

সোমবার রাতে আইপিএলের দর্শকরা রিতিমতো দেখলো ওয়াটসন-ধোনি শো। এই ম্যাচে ওয়াটসন-ধোনি একাই হারিয়ে দিলেন দিল্লিকে। আর এই ম্যাচে জেতার ফলে সাকিবের হায়দ্রাবাদকে হারিয়ে আবারো শীর্ষে উঠে গেল ধোনির চেন্নাই।

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সাকিব আল হাসানদের পেছনে ঠেলে দিয়ে আবার এক নম্বরে চেন্নাই। ৮ ম্যাচ শেষে ১২ পয়েন্ট চেন্নাইয়ের, সমান ম্যাচে হায়দরাবাদের পয়েন্টও একই। তবে নেট রানরেটে এগিয়ে আছে ধোনিরা।

ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি করেছেন ওয়াটসন ও ধোনি। ওপেনিংয়ে ওয়াটসন ৪০ বলে করেন ৭৮ রান, আর ধোনি মাত্র ২২ বলে ৫১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকলে নির্ধারিত ২০ ওভারে চেন্নাই ৪ উইকেট হারিয়ে দাঁড় করায় ২১১ রানের বিশাল সংগ্রহ। ঋশব পান্ট ও বিজয় শঙ্করের ব্যাটে আগুন ঝরলেও হার আর ঠেকাতে পারেনি দিল্লি। ২০ ওভার শেষ তারা করতে পারে ১৯৮ রান।

ফাফ দু প্লেসিকে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ১০২ রান যোগ করেন ওয়াটসন। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান অবশ্য দেখেশুনে খেলেছেন, ৩৩ বলে করে যান ৩৩ রান। অন্যপ্রান্তে ওয়াটসন আক্রমণাত্মক ছিলেন বলেই হয়তো ‘নীরব’ ছিলেন দু প্লেসিস। ব্যাটে রীতিমত আগুন ঝরিয়েছেন ওয়াটসন। ৪০ বলে ৪ বাউন্ডারি ও ৭ ছক্কায় খেলে যান ৭৮ রানের অসাধারণ এক ইনিংস।

তার গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দিল্লি বোলারদের ওপর টনের্ডো বইয়ে দেন ধোনি ও আম্বাতি রাইডু। রান আউট হয়ে রাইডু ২৪ বলে ফেরেন ৪১ রান করে। ধোনিকে অবশ্য আউট করতে পারেনি দিল্লি। চেন্নাই অধিনায়ক ব্যাটে ঝড় তুলে ২২ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় খেলেন হার না মানা ৫১ রানের ইনিংস।

২১২ রানের কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে দিল্লি ৭৪ রানে হারায় টপ অর্ডারের ৪ ব্যাটসম্যানকে। পৃথিবী শ (৯), কলিন মুনরো (২৬), শ্রেয়াস আইয়ার (১৩) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৬) চাপটা নিতে পারেননি। ম্যাচ থেকে তখন দিল্লি ছিটকে গেছে মনে হলেও পান্ট ও শঙ্কর জমিয়ে তুলেছিলেন খেলা।

পান্ট ৪৫ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৭৯ রানের ইনিংস। আর শঙ্কর ৩১ বলে অপরাজিত ছিলেন ৫৪ রানে। তবে তাদের চমৎকার দুটি ইনিংসও ঠেকাতে পারেনি চেন্নাইয়ের জয়।

আইপিএলের ফ্লপদের তালিকায় ফেলানো হলো মাশরাফিকে

আইপিএল এমন একতা প্ল্যাটফর্ম যাকিনা কোন মানূষকে যেমনিভাবেই হুট করে করে দিতে পারে বড়লোক, থিক তেমনিভাবেই কোন মানুষ এই আইপিএল খেলেই হয়ে যান ফ্লপদের তালিকায়। তেমনি কিছু ক্রিকেটারদের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলোঃ

টাইমল মিলস- আইপিএলের ১০ম আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১২ কোটি টাকায় তাকে কিনে নেয়। কিন্তু ৫ ম্যাচ খেলে মাত্র ৫টি উইকেট শিকার করতে পেরেছিলেন তিনি।

যুবরাজ সিং-২০১৫তে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস ১৬ কোটি টাকায় তাকে কিনে নেয়। ব্যাট হাতে সেই আসরে ১৪ ম্যাচে ২৪৮ রান করেছিলেন তিনি। যেখানে তার সর্বোচ্চ রান ৫৭। অন্যদিকে বল হাতে ৯ ওভার বোলিং করে ৭২ রান দিয়ে মাত্র ১ উইকেট পান তিনি।

পবন নেগি- ২০১৬তে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস সাড়ে আট কোটি টাকায় তাকে কিনে নেয়। তবে এই আসরে ফ্লপ ছিলেন তিনি। ব্যাট হাতে ৮ ম্যাচে ৫৭ রান করেন তিনি। অন্যদিকে বল হাতে মাত্র ১ উইকেট শিকার করেন তিনি।

মোহাম্মদ আসিফ-২০০৮ সালে মোহাম্মদ আসিফকে ছয় লাখ ৫০ হাজার ইউএস ডলারে কিনে নেয় দিল্লি। সেই আসরে ৮ ম্যাচে ৩২ ওভার বল করে ২৯৬ রান দেন তিনি। সেই সঙ্গে প্রতি ওভারে ৯ রান রেটে মাত্র ৮টি উইকেট শিকার করেন তিনি।

মাশরাফি বিন মর্তুজা-২০০৯ সালে ছয় লক্ষ ইউএস ডলারে মাসরাফিকে কিনে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। আসরটিতে মাত্র ১টি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। সেই ম্যাচে চার ওভার বল করে ৫৮ রান দেন তিনি। শেষ ওভারে ২১ রান প্রয়োজন ছিল ডেকান চার্জাসের। কিন্তু মাশরাফির করা শেষ ওভারে রানের সমীকরণ মিলিয়ে জয় পায় তারা।